ADs

আমি সাধারন তবে অসাধারণ কাজ করি, করব । আমার দেশের জন্য স্বপ্ন দেখি আর কাজ করি আমি স্বপ্নবাজ ।

বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৫

৮টি উপায়ে নিজেকে উদ্ভাবনী করে তুলুন



চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল হতে পারছেন না? খুব বেশি লোক এটি পারেনা। তবে চিন্তার কিছু নেই। সৌভাগ্যবশত এটি একটি দক্ষতা যা আপনি উন্নত করতে পারেন।
বিশ্বাস হচ্ছে না? এক্ষুনি একবার চেষ্টা করে দেখুন। সৃজনশীল কিছু চিন্তা করুন। সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন কিছু নিয়ে আসুন। যে কেউ এটা চেষ্টা করতে পারে।
সৃজনশীলতা কোন সুইচ নয় যা আমাদের অধিকাংশই ইচ্ছা অনুযায়ী চালু করতে পারে। সুতরাং, সৃজনশীলতার চাবিকাঠি হল কোন একটি সমস্যাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। প্রয়োজন আবিষ্কারের জননী, তাই একটু কৃত্রিম প্রয়োজন তৈরি করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৃজনশীলতা উদ্দীপকের কাজ করে।
এখানে আপনার উদ্ভাবনী সুইচ টোকার কয়েকটি সহজ উপায় আছে।
১) সবচেয়ে খারাপ যা ঘটতে পারে সেটা ভাবুনঃ
আপনি যদি আপনার সবচেয়ে বড় গ্রাহক হারান তবে কী হবে? কী হবে যদি আপনার ব্যবসা তলিয়ে যায়? কী হবে যদি আপনার একটি প্রধান প্রতিদ্বন্দী  বাজারে প্রবেশ করে?
এর উত্তর আপনার সামনে অপ্রত্যাশিত সুযোগের আবরণ উন্মোচন করতে পারে, অথবা আপনার সামগ্রিক কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারে।
২) কেন?”-এই খেলাটি খেলেনঃ
পাঁচটি কেন?” হল মূল কারণ বিশ্লেষণ যন্ত্রাংশের একটি সাধারণ মানদণ্ড। মূল কথা হল প্রশ্ন করতে হবে কেন?”, যে কোন ভুলের আশানুরূপ আসল কারণটি খুঁজে বের করার জন্য অন্তত পাঁচবার এ প্রশ্ন করতে হবে।
কিন্তু আপনাকে একটি ভুলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি একটি সাম্প্রতিক অভ্যাস বা আচরণ  বেছে নিন এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন যে আপনি এটা কেন করেন। বারবার জিজ্ঞাসা করতে থাকুন, আপনি এটা কেন করেন। আপনি যত বেশি বার নিজেকে প্রশ্ন করবেন, প্রতিটি উত্তরের পর আপনি সবকিছু আবার নতুনভাবে দেখতে শুরু করবেন।
৩) নিজেকে এমন ভাবুন যে আপনার সব অর্থ ফুরিয়ে গেছেঃ
নিরেট অর্থপ্রবাহ বেশ ভাল। কিন্তু আয়ের একটি সুষম স্রোত অথবা সুষম মূলধন অর্থ সঞ্চয়ের সুযোগ বা কোন অনুকূল প্রক্রিয়াকে লুকাতে পারে।
যদি আপনার সব অর্থ ফুরিয়ে যায়, তবে আপনাকে কী করতে হবে? আপনি যতোগুলো সম্ভব পরিস্থতি চিন্তা করুন এবং সবচেয়ে ভাল ধারণাটি বাস্তবায়ন করুন। যখন আপনার পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাবে এবং আপনার মনে হবে যে আর কোন উপায় নেই, তখন আপনি সেক্রেড কাউ’(পবিত্র গরু) টি, অর্থাৎ অলঙ্ঘনীয় বস্তুটি খুঁজে বের করুন; মনযোগ দিন তাতে যেটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সত্যিই একটি ভিন্নতা নিয়ে  আসতে পারে।
৪) এমন ভান করুন যেন কোন নিয়ম নেইঃ
প্রতিটি ব্যবসায়ে লিখিত এবং অলিখিত নিয়ম রয়েছে। এবং প্রত্যেকে স্ব-আরোপিত নিয়ম অনুসরণ করে।
কিন্তু আপনি কী করতেন যদি একটি সমস্যা সমাধানের জন্য আপনি প্রচলিত নির্দেশাবলী না ব্যবহার করতে পারতেন? আপনার যদি অনুমতি নেয়ার মত কেউ নাই থাকতো তাহলে? যদি আপনার সঙ্গী আপনার জামিন করাতে না পারতো বা আপনাকে আড়াল করতে না পারতো তাহলে? আপনি যদি আপনার কর্মচারী প্রশিক্ষণ এবং বিকাশ পদ্ধতি পরিবর্তন করতে পারতেন তাহলে?
মানসিক ভাবে কিছু নিয়ম ভাঙ্গুন, বিশেষত সেগুলো যদি আপনার নিজের নিয়ম হয়।
কখনও দেখবেন একটি নিয়মকোনও নিয়মই নয়, সেটি শুধুমাত্র একটি উপায় যা দ্বারা আপনি কাজ করেন মাত্র।
৫) মনে করুন যে সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার কাছে মাত্র পাঁচ মিনিট আছেঃ
গতিও সৃজনশীলতার জননীস্বরূপ। একটি সমস্যা বেছে নিন এবং পাঁচ মিনিটে তার সমাধান করার জন্য নিজেকে জোড় করুন।
ধরুন একটি অর্থপ্রবাহ সংকটকালে আপনাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনাকে যদি এক্ষুনি কিছু করতে হয়, আপনি কি করতেন?
বহুবিধ পরিস্থিতিতে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া বা আগাছার মাঝে হারিয়ে যাওয়া খুব সহজ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত কখনো কখনো সঠিক হতে পারে, কেননা সেটা একেবারে ইস্যুটির গভীর থেকে নেয়া হয়।
৬) কোনকিছুর উৎকৃষ্টটি কল্পনা করুনঃ
নিজেকে বলুন যে আপনি আপনার কার্যপ্রক্রিয়ার উন্নতিসাধন করতে চান। আমরা শতকরা অর্জন অনুযায়ী আচরণ উন্নত করার জন্য প্রশিক্ষিত হইঃ ৩% খরচ কমানো, কাজের পুনরূক্তি ৪% কমানো ইত্যাদি।
কিন্তু আপনার লক্ষ্যটি যদি নিখুঁত করার প্রয়োজন পড়তো, তাহলে? কোনো কিছু যদি ঠিক করতে হতো, আপনাকে ঠিক কী করতে হতো? এর একটি উদাহরণ দেখা যেতে পারে।
একজন উদ্যোক্তা বাজেট চক্র তৈরীর  আগে একজন মেশিন অপারেটরকে  ৩% উৎপাদনশীলতা কিভাবে বাড়ানো যায় সে সম্পর্কে তার কোন ধারণা আছে কিনা না জিজ্ঞেস করে এর বদলে জিজ্ঞেস করল যে, মেশিন যাতে অপ্রত্যাশিতভাবে খারাপ না হয়ে যায়  তা যদি তোমাকে নিশ্চিত করতে হয়? তাহলে আমাদের কী করতে হত? সে তখন মেশিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুমেয় প্রতিটি কারণ বের করে তার তালিকা তৈরি করল। পরে তিনি সেই কারণগুলো দূর করার উপায় খুঁজে বের করলেন।
তারপর তিনি তার ধারণাগুলো বাস্তবায়ন করেন। তারা অনেকগুলো পদ্ধতি পরিবর্তন করেন। তারা অন্য একজন কর্মচারি নিয়োগ করে যে দুপুরের খাবারের বিরতিতে সবকিছুর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে, এবং এতে করে অনেকগুলো জিনিসের ব্যবহার বেড়েছিল। তিন মাসের মধ্যে তাদের উৎপাদনশীলতা ৩২% বেশি হয়ে গিয়েছিল এবং বাড়তি ব্যায়ের বিনিয়গের উপর আয় ছিল ৮০০% এর বেশি।
৭) ইচ্ছাকৃতভাবে সমস্যা তৈরি করে দেখুন বা অন্যভাবে কাজ করুনঃ     
উদ্ভাবনের বিশেষজ্ঞগণ ক্রমাগত পরীক্ষণ সুপারিশ করেন। কিন্তু একটি পরীক্ষণের কথা চিন্তা করলে কতগুলো সৃজনশীল স্তর প্রয়োজন, যেগুল প্রায়শই নিয়ন্ত্রণ করা যায়না।
আপনি এমন একটি কাজ ধরুন যা ভালভাবে কাজ করে। তারপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সমস্যা তৈরি করুন এবং দেখুন কী হয় (এমন একটি কাজ নিন যাতে অর্থ ব্যয় হয় না বা গ্রাহকের সাথে সম্পর্কের মাঝে কোন প্রভাব না ফেলে)।
যেমন হতে পারে প্রথমে আপনি প্রতিদিন আপনার ই-মেইল চেক করতে পারেন। তারপর দেখুন আগামীকাল কী হয়? আমি বাজি ধরে বলতে পারি যে খেয়াল করুন, অন্তত একটি সুবিধা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আপনি আপনার কর্মচারীদের মাঝে একটু বেশী নিজের গুরুত্ব দেখতে পাবেন। কিংবা আপনি এমন কিছু কাজ করে ফেলতে পারছেন যা তাদেরকে দিনের কাজ সহজ ও তাড়াতাড়ি করার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।
তাই একটু ঘুরিয়ে কাজ করুন এবং যেটি কাজ করে সেটিই বেছে নিন।
৮) অন্যদেরকে দেখুনতাদের কাছ থেকে শিখুনঃ
শিল্প ক্ষেত্রে পারষ্পরিক উন্নয়ন খুব কম হয় কারণ আমরা স্বভাবতই নিজেদের গণ্ডির মাঝেই থাকি। একজন আইনজীবী বন্ধু একজন সফল খুচরা বিক্রেতাকে দেখে শিক্ষা নিতে পারে যে কিভাবে তার ফার্ম এ মক্কেল এর দেখা পাওয়া যাবে।
একজন ভারী যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক তার কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য প্রতিমাসে অন্যান্য বিভিন্ন কারখানা ঘুরে দেখেন।
কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ কোনকিছু খুব ভালভাবে করছে। তাহলে আপনার ব্যবসায়ে কেন নয়? আপনি অন্যের ধারণা থেকে যা ধার করবেন তা আপনার কাজে সৃজনশীলতার প্রকাশ হতে পারে।

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৫

 




ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, মরহুম ফ্রাঁসোয়া মিত্রা প্রেসিডেন্ট পদে থাকেন ১৯৮১-১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। তিনি তার পদে থাকাকালীন সময়ে আশির দশকের শেষের দিকে ফিরাউনের মমিকে আতিথেয়তার জন্য মিসরের কাছে অনুরোধ জানালেন। ফ্রান্স তাতে কিছু প্রত্নতাত্তিক গবেষণা করতে চাইল। মিসরের সরকার তাতে রাজি হল। কাজেই কায়রো থেকে ফিরাউনের যাত্রা হল প্যারিস! প্লেনের সিড়ি থেকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, তার মন্ত্রীবর্গ ও ফ্রান্সের সিনিয়র অফিসারগণ লাইন দিয়ে দাড়ালেন এবং মাথা নিচু করে ফিরাউনকে স্বাগত জানালেন!! যখন ফিরাউনকে জাঁকালো প্যারেডের মাধ্যমে রাজকীয়ভাবে বরণ করে, তার মমিকে ফ্রান্সের প্রত্নতাত্তিক কেন্দ্রের একটা বিশেষ ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল, যেখানে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় সার্জনরা আছে এবং তারা ফিরাউনের মমিকে অটপ্‌সি (ময়নাতদন্ত) করে সেটা স্টাডি করবে ও এর গোপনীয়তা উদঘাটন করবে। মমির উপর গবেষণার জন্য প্রধান সার্জন ছিলেন প্রফেসর মরিস বুকাইলি। থেরাপিস্ট যারা ছিলেন তারা মমিটাকে পুনর্গঠন (ক্ষত অংশগুলো ঠিক করা) করতে চাচ্ছিল, আর ডা. মরিস বুকাইলি দৃষ্টি দিচ্ছিলেন যে কিভাবে এই ফিরাউন মারা গেল! পরিশেষে, রাতের শেষের দিকে ফাইনাল রেজাল্ট আসলো! তার শরীরে লবণ অবশিষ্ট ছিল: এইটা সবচেয়ে বড় প্রমাণ যে সে (ফিরাউন) ডুবে মার গিয়েছিল এবং তার শরীর ডুবার পরপরই সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র [লোহিত সাগর] থেকে তুলে আনা হয়েছিল! তারপর লাশটা সংরক্ষণ করার জন্য দ্রুত মমি করা হল। কিন্তু এখানে একটা ঘটনা প্রফেসর মরিসকে হতবুদ্ধ করে দিল, যে কিভাবে এই মমি অন্য মমিদের তুলনায় একেবারে অরক্ষিত অবস্থায় থাকল, যদিওবা এটা সমুদ্র থেকে তোলা হয়েছে [কোন বস্তু যদি আদ্র অবস্থায় থাকে ব্যাকটেরিয়া ঐ বস্তুকে দ্রুত ধ্বংস করে দিতে পারে, কারণ আদ্র পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করতে পারে]!! ডা. মরিস ফাইনাল রিপোর্ট তৈরি করল যাতে তিনি বললেন: এটা একটা নতুন আবিস্কার। সেই সময় তাকে একজন তার কানে ফিসফিসিয়ে বলল: মুসলিমদের এই ডুবে যাওয়া মমি সম্পর্কে ঝট করে আবার বলতে যেও না! কিন্তু তিনি দৃঢ়ভাবে এর সমালোচনা করলেন এবং এটা আজব ভাবলেন যে, এরকম একটা বিশাল আবিস্কার যেটা আধুনিক বিজ্ঞানের উন্নতির জন্য সহায়তা করবে সেটা জানানো যাবেনা!! কেউ একজন তাকে বলল যে কুরআনে বলা আছে যে ফিরাউনের ডুবা ও তার লাশ সংরক্ষণের ব্যাপারে। এই ঘটনা শুনে ডা. মরিস বিস্মিত হয়ে গেলেন এবং প্রশ্ন করতে লাগলেন, এটা কিভাবে সম্ভব?? এই মমি পাওয়া গিয়েছে মোটে ১৮৮১ সালে, আর কুরআন নাজিল হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে!! আরবেরা প্রাচীন মিসরীয়দের মমি করার পদ্ধতিতো জানতোই না, মাত্র কয়েক দশক আগে আমরা জানলাম!! ডা. মরিস বুকাইলি সেই রাতে ফিরাউনের লাশের দিকে একদৃষ্টিতে তাকেয়ে বসে রইলেন, আর গভীরভাবে ভাবছিলেন যেটা তার কলিগ তার কানে ফিশফিশিয়ে বলে গেল যে মুসলিমদের কুরআনে ফিরাউনের লাশের সংরক্ষণের কথা!! বাইবেল ফিরাউন কর্তৃক মুসা (আ) পিছু নেয়ার কথা বলা আছে কিন্তু ফিরাউনের লাশের কি হল সেটা সম্পর্কে কিছুই বলা নেই। তিনি নিজেকেই প্রশ্ন করছিলেন যে, এটা কি সম্ভব যে এই মমি যার সেই (ফিরাউন) কি মুসার (আ) পিছু নিয়েছিল? এটা কি ধারণা করা যায় যে মুহাম্মদ (স) ১৪০০ বছর আগেই এটা সম্পর্কে জানতেন?? 

ডা. মরিস সেই রাতে ঘুমাতে পারলেন না, তিনি তোরাহ্‌ (তাওরাত) আনালেন এবং সেটা পড়লেন। তোরাহতে বলা আছে, পানি আসলো এবং ফিরাউনের সৈন্য এবং তাদের যানবাহনগুলোকে ঢেকে দিল, যারা সমুদ্রে ঢুকল তাদের কেউই বাঁচতে পারল না। ডা. মরিস বুকাইলি হতবুদ্ধ হয়ে গেলেন যে বাইবেলে লাশের সংরক্ষণের ব্যাপারে কিছুই বলা নেই!! তিনি তার লাগেজ বাধলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন যে যে তিনি মুসলিম দেশে যাবেন এবং সেখানে প্রখ্যাত মুসলিম ডাক্তারদের সাক্ষাৎকার নিবেন যাদের অটোপ্‌সি বিশেষজ্ঞ। তার সেখানে পৌছনোর পর ফিরাউনের লাশ ডুবার পর সংরক্ষণের যে আবিষ্কার তিনি যেটা পেয়েছেন সেটা নিয়ে বললেন। তাই একজন বিশেষজ্ঞ (মুসলিম) পবিত্র কুরআন খুললেন এবং আয়াতটা ডা. মরিসকে পড়ে শুনালেন যেখানে সর্বশক্তিমান আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা বলেনঃ “অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না।” [আল-কুরআন; সুরাঃ ১০, আয়াতঃ ৯২] তিনি এই আয়াতের দ্বারা খুবই প্রভাবিত হয়ে পড়লেন এবং দর্শকদের (মুসলিম সার্জন) ভীষণভাবে অভিভূত হয়ে পড়লেন এবং তিনি তার জোর গলায় চিৎকার দিয়ে বললেন: আমি ইসলামে প্রবেশ করেছি এবং আমি এই কুরআনে বিশ্বাসী। [সুবহানাল্লাহ] ডা. মরিস বুকাইলি ফ্রান্স ফিরে গেলেন এক ভিন্ন অবস্থায়। ফ্রান্সে ১০ বছর তিনি আর কোন ডাক্তারি প্রকটিস্‌ করেন নি বরং এই সময়ে (টানা ১০ বছর ধরে) তিনি আরবী ভাষা শিখেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে কোন বৈজ্ঞানিক দ্বিমত আছে কিনা সেটা খুজেছেন, তারপর তিনি পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতের অর্থ বুঝলেন যেটাতে বলা আছেঃ “এতে মিথ্যার প্রভাব নেই, সামনের দিক থেকেও নেই এবং পেছন দিক থেকেও নেই। এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।” [আল-কুরআন; সুরাঃ ৪১, আয়াতঃ ৪২] ১৯৭৬ সালে ডা. মরিস বুকাইলি একটা বই লেখেন যেটা পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের টনক নাড়িয়ে দেয়। যেটা বেস্ট সেলার হয়। বইটি প্রায় ৫০ টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে!! বইটির নামঃ “বাইবেল, কুরআন এবং বিজ্ঞান” তিনি থিওরি অফ এভুলুশনকে চ্যালেঞ্জ করে একটি বই লেখেন, যার নাম “What is the Origin of Man?

Follow us on facebook

Category 1

Slideshow

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *